চোখের পানি দোজখের আগুন নিভিয়ে দিবে ।
ইমাম আদমদ ইবনে হাম্বল (রাঃ) হযরত হাযেম (রাঃ) নামক জৈনেক সাহাবীর বরাতে বর্ণনা করেছেন যে, একদা জিবরাইল (আঃ) নবী করিম (সা:) এর নিকট হাজির হয়েছিলেন । এ সময় মসজিদের এক কনে বসে এক বেক্তি আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করছিলেন ।
লোকটির ক্রন্দন দেখে জিবরাইল (আঃ) বললেন, মানুষের সকল আমলই ওজন হবে । কিন্তু আল্লাহ্র ভয়ে ক্রন্দন করা এমন এটি আমল যা ওজন করা হবে না । এই ক্রন্দনের দ্বারা নির্গত এক ফোটা অশ্রু জাহান্নামের জলন্ত আগুন নিভিয়ে দিবে ।
(তফসিরে মাআরেফুল-কুরআন ৩য় খণ্ড)
Monday, June 24, 2013
একটি বাস্তব ঘটনা
একটি বাস্তব ঘটনা, আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।।
একজন মৃত্যুপথযাত্রী মহিলা হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলেন।। তার ছেলে, আত্মীয়-স্বজন সবাই তার পাশেই ছিলো।। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মহিলাটি মারা যান।। সবাই শোকে কাতর।। তার
ছেলে সারাদিন কান্না করে নিজেই অসুস্থ হয়ে যায়!!
ছেলেটি পরেরদিন ঘরে এসে যখন মায়ের আলমারি খুলল এবং দেখল একটা চিঠি আর কিছু ওষুধ!!
চিঠিতে লিখা ছিলোঃ "ওষুধ গুলো খাস বাবা!! আমি জানি তুই কান্নাকাটি করলে তোর
ঠাণ্ডা লেগে যায়!!"
মায়ের ভালোবাসা আসলেই পরিমাপ করা যায় না।। সে ভালোবাসার কোন তুলনা হয় না।।
পিতামাতার ঋণ কখনো শোধ করার নয়।।
আসুন প্রার্থনা করি যেন আমাদের কারনে বাবা-মায়ের কষ্ট না হয় এবং তাদের প্রতি আমাদের ভালোবাসার কমতি না হয় আমৃত্যু পর্যন্ত।।
একজন মৃত্যুপথযাত্রী মহিলা হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলেন।। তার ছেলে, আত্মীয়-স্বজন সবাই তার পাশেই ছিলো।। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মহিলাটি মারা যান।। সবাই শোকে কাতর।। তার
ছেলে সারাদিন কান্না করে নিজেই অসুস্থ হয়ে যায়!!
ছেলেটি পরেরদিন ঘরে এসে যখন মায়ের আলমারি খুলল এবং দেখল একটা চিঠি আর কিছু ওষুধ!!
চিঠিতে লিখা ছিলোঃ "ওষুধ গুলো খাস বাবা!! আমি জানি তুই কান্নাকাটি করলে তোর
ঠাণ্ডা লেগে যায়!!"
মায়ের ভালোবাসা আসলেই পরিমাপ করা যায় না।। সে ভালোবাসার কোন তুলনা হয় না।।
পিতামাতার ঋণ কখনো শোধ করার নয়।।
আসুন প্রার্থনা করি যেন আমাদের কারনে বাবা-মায়ের কষ্ট না হয় এবং তাদের প্রতি আমাদের ভালোবাসার কমতি না হয় আমৃত্যু পর্যন্ত।।
একটি অসাধারণ শিক্ষণীয় ঘটনাঃ
একটি অসাধারণ শিক্ষণীয় ঘটনাঃ
একদিন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ও তার পুত্র তাদের বাগানের একটা বেঞ্চে বসেছিল। হঠাৎ একটি কাক এসে বসলো, তার পিতা জিজ্ঞেস করলেন,
"এটা কি?"
পুত্র বলল- "এটি একটি কাক".
কয়েক মিনিট পর, পিতা আবার জিজ্ঞেস করলেন , "এটা কি?
পুত্র বলল - "আমি তো কেবলি বললাম এটা একটা কাক ।"
একটু পর আবার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কি ?"
এবার পুত্র অনেকটা বিরক্ত হয়েই কর্কশ গলায় বলল , "এটা একটা কাক, এটা একটা কাক।"
এবার পিতা ৪র্থ বারের মত জিজ্ঞেস করলেন "এটা কি ?"
এবার পুত্র প্রচণ্ড রেগে গেল, রাগের চোটে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে পিতাকে ধমক দিয়ে বলল "তুমি কেন বার বার আমাকে একি কথা জিজ্ঞেস করছ? আমি তো তোমাকে বহুবার বললাম এটা একটা কাক, এটা একটা কাক, চোখ নেই তোমার, বুঝতে পার না? "
বৃদ্ধ পিতা কোন কথা না বলে তিনি হেঁটে হেঁটে চলে গেলেন । একটু পর ফিরে এলেন একটা ডায়রি সাথে নিয়ে । তিনি তার পুত্র কে বললেন "এটা পড়, মনোযোগ দিয়ে পড়বে ।"
"আজ আমি আমার ৩ বছর বয়সী ছেলের সাথে বাগানের বেঞ্চিতে বসেছিলাম । হটাৎ একটা কাক এসে বসলো । আমার ছেলে আমাকে ২৩ বার জিজ্ঞেস করল "এটা কি?" আর আমি ২৩ বার উত্তর দিলাম "এটা একটা কাক।" তাকে প্রতিবার উত্তর দেবার সময় তাকে গভীর ভালবাসায় জড়িয়ে ধরেছিলাম। আমার পুত্র আমাকে একি প্রশ্ন ২৩ বার জিজ্ঞেস করেছে এবং আমি একটুও বিরক্ত বোধ দেখাইনি আমার নিস্পাপ ছেলেটার প্রতি।"
পুত্রের চোখের কোনে জল জমতে শুরু করল। পুত্র ডায়রিটা বন্ধ করে গভীর ভালবাসায় তার পিতাকে জড়িয়ে ধরল । আর ধরা গলায় বলল "Sorry BaBa".
অনেক সময়ই আমরা আমাদের বাবা-মায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করি, উচু গলায় কথা বলি। কখনো কি ভেবে দেখেছেন কি পরিমান ভালবাসা আর কষ্ট করেছেন তারা আমাদের বড় করার জন্য? পৃথিবীর কোন কিছু দিয়ে কি তাদের এই ঋণ শোধ করা সম্ভব ??
একদিন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ও তার পুত্র তাদের বাগানের একটা বেঞ্চে বসেছিল। হঠাৎ একটি কাক এসে বসলো, তার পিতা জিজ্ঞেস করলেন,
"এটা কি?"
পুত্র বলল- "এটি একটি কাক".
কয়েক মিনিট পর, পিতা আবার জিজ্ঞেস করলেন , "এটা কি?
পুত্র বলল - "আমি তো কেবলি বললাম এটা একটা কাক ।"
একটু পর আবার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, "এটা কি ?"
এবার পুত্র অনেকটা বিরক্ত হয়েই কর্কশ গলায় বলল , "এটা একটা কাক, এটা একটা কাক।"
এবার পিতা ৪র্থ বারের মত জিজ্ঞেস করলেন "এটা কি ?"
এবার পুত্র প্রচণ্ড রেগে গেল, রাগের চোটে কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে পিতাকে ধমক দিয়ে বলল "তুমি কেন বার বার আমাকে একি কথা জিজ্ঞেস করছ? আমি তো তোমাকে বহুবার বললাম এটা একটা কাক, এটা একটা কাক, চোখ নেই তোমার, বুঝতে পার না? "
বৃদ্ধ পিতা কোন কথা না বলে তিনি হেঁটে হেঁটে চলে গেলেন । একটু পর ফিরে এলেন একটা ডায়রি সাথে নিয়ে । তিনি তার পুত্র কে বললেন "এটা পড়, মনোযোগ দিয়ে পড়বে ।"
"আজ আমি আমার ৩ বছর বয়সী ছেলের সাথে বাগানের বেঞ্চিতে বসেছিলাম । হটাৎ একটা কাক এসে বসলো । আমার ছেলে আমাকে ২৩ বার জিজ্ঞেস করল "এটা কি?" আর আমি ২৩ বার উত্তর দিলাম "এটা একটা কাক।" তাকে প্রতিবার উত্তর দেবার সময় তাকে গভীর ভালবাসায় জড়িয়ে ধরেছিলাম। আমার পুত্র আমাকে একি প্রশ্ন ২৩ বার জিজ্ঞেস করেছে এবং আমি একটুও বিরক্ত বোধ দেখাইনি আমার নিস্পাপ ছেলেটার প্রতি।"
পুত্রের চোখের কোনে জল জমতে শুরু করল। পুত্র ডায়রিটা বন্ধ করে গভীর ভালবাসায় তার পিতাকে জড়িয়ে ধরল । আর ধরা গলায় বলল "Sorry BaBa".
অনেক সময়ই আমরা আমাদের বাবা-মায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করি, উচু গলায় কথা বলি। কখনো কি ভেবে দেখেছেন কি পরিমান ভালবাসা আর কষ্ট করেছেন তারা আমাদের বড় করার জন্য? পৃথিবীর কোন কিছু দিয়ে কি তাদের এই ঋণ শোধ করা সম্ভব ??
মৃত্যুশয্যায় আলেকজান্ডারের অদ্ভুত অভিপ্রায়
মৃত্যুশয্যায় আলেকজান্ডারের অদ্ভুত অভিপ্রায় ।-
মৃত্যুশয্যায় আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।
এতে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে।
আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে, শুধু আমার চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করবেন।
আমার দ্বিতীয় অভিপ্রায়, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথে আমার কোষাগারে সংরক্ষিত সোনা, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান পা...থর ছড়িয়ে দিতে হবে।
আমার শেষ অভিপ্রায়, আমার কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।’
তাঁর মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত লোকজন মহাবীর আলেকজান্ডারের এই অদ্ভুত অভিপ্রায়ে বিস্মিত হন।
কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস পাচ্ছিলেন না কেউ।
তখন তাঁর একজন প্রিয় সেনাপতি তাঁর হাতটা তুলে ধরে চুম্বন করে বলেন, ‘হে মহামান্য, অবশ্যই আপনার সব অভিপ্রায় পূর্ণ করা হবে; কিন্তু আপনি কেন এই বিচিত্র অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন?’
দীর্ঘ একটা শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, ‘আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।
আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে বলেছি এ কারণে যে, যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে চিকিৎসকেরা আসলে কোনো মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারেন না।
তাঁরা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে কাউকে রক্ষা করতে অক্ষম।
‘গোরস্থানের পথে সোনা-দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বোঝাতে যে ওইসোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না।
আমি এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি,কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না।
মানুষ বুঝুক’ ধন-সম্পদের পেছনে ছোটা সময়ের অপচয় মাত্র।
কফিনের বাইরে আমার হাত ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে যে খালি হাতে আমি এই পৃথিবীতে এসেছিলাম, আবার খালি হাতেই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি।...
মৃত্যুশয্যায় আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।
এতে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে।
আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে, শুধু আমার চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করবেন।
আমার দ্বিতীয় অভিপ্রায়, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথে আমার কোষাগারে সংরক্ষিত সোনা, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান পা...থর ছড়িয়ে দিতে হবে।
আমার শেষ অভিপ্রায়, আমার কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।’
তাঁর মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত লোকজন মহাবীর আলেকজান্ডারের এই অদ্ভুত অভিপ্রায়ে বিস্মিত হন।
কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস পাচ্ছিলেন না কেউ।
তখন তাঁর একজন প্রিয় সেনাপতি তাঁর হাতটা তুলে ধরে চুম্বন করে বলেন, ‘হে মহামান্য, অবশ্যই আপনার সব অভিপ্রায় পূর্ণ করা হবে; কিন্তু আপনি কেন এই বিচিত্র অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন?’
দীর্ঘ একটা শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, ‘আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।
আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে বলেছি এ কারণে যে, যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে চিকিৎসকেরা আসলে কোনো মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারেন না।
তাঁরা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে কাউকে রক্ষা করতে অক্ষম।
‘গোরস্থানের পথে সোনা-দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বোঝাতে যে ওইসোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না।
আমি এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি,কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না।
মানুষ বুঝুক’ ধন-সম্পদের পেছনে ছোটা সময়ের অপচয় মাত্র।
কফিনের বাইরে আমার হাত ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে যে খালি হাতে আমি এই পৃথিবীতে এসেছিলাম, আবার খালি হাতেই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি।...
হিবা আম্মার নামে এক বোন লিখেছেন
হিবা আম্মার নামে এক বোন লিখেছেন
যখন আমার বাবা আমার মা কে প্রপোজ করেছিলেন তখন তিনি আম্মুর প্রতি মাহার হিসেবে সুরা আলে ইমরান উৎসর্গ করেছিলেন, সম্পূর্ণ সুরাটি তিনি হৃদয় ও মন দিয়ে মুখস্থ করেছিলেন।
যখন আমার বর আমাকে প্রপোজ করেছিলো, আমার বাবা তাঁকে বলেছিলেন যে মাহার হিসেবে তাঁকে কুরআন থেকে একটি সুরা মুখস্থ করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি আমার মাহার না পাবো ততক্ষণ বিয়ে হবে না।
আমাকে আমার মাহার হিসেবে একটি সুরা পছন্দ করতে বলা হল। আমি সুরা নুর পছন্দ করলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে এই সুরাটিতে যতসব আইন আছে তা আমার হয়ে যে কারো জন্য মুখস্থ করা কঠিন ছিল।
আমাদের বিয়ের আগে, যখন আমরা নতুন সংসার বাঁধার জন্যে প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত ছিলাম। তখনও পুরো মাস ধরে আমার বরের হাত থেকে পবিত্র কুরআন মুহূর্তের জন্যেও বিচ্ছিন্ন হয়নি, কারণ সারা মাস ধরে সে সুরাটি মুখস্থ করছিলো।
আমাদের বিয়ের কিছুদিন আগে, সুরাটি মুখস্থ করা শেষে আমার বর বাবাকে সুরাটি শুনাতে আসল। বাবা তাকে বললেন, "যতবার তুমি সুরাটি ভুল করবে ততবারই তুমি আবার শুরু থেকে শুনানো শুরু করবে"
আমার বর তার ধীর ও চমৎকার সুরে সুরাটি তিলাওয়াত করতে শুরু করলো। এত সুন্দর তিলাওয়াত যা আমি জীবনেও কোনদিন ভুলবো না। ও যখন তিলাওয়াত করছিল তখন আম্মু এবং আমি একজন আরেকজনের দিকে তাকাচ্ছিলাম আর মুচকি হাসছিলাম, আমরা অপেক্ষা করছিলাম কখন আমার বর সুরাটি শুনাতে ভুল করবে আর আমরা আবারো তাঁর তিলাওয়াত প্রথম থেকে শুনতে পেরে সাওয়াবের সংখ্যা বাড়িয়ে নিবো।
কিন্তু আমার বর (আল্লাহ তাঁকে বারাকাহ দান করুন) সুরাটিকে এমন ভাবে হৃদয়ঙ্গম করেছিলো যে একটা আয়াতও ও ভুল করেনি।
যখন সে পুরা সুরাটি শুনানো শেষ করলো তখন আব্বু তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন, "আজ তোমার কাছে আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম, তুমি তোমার মাহার পরিশোধ করেছো এবং তোমার প্রতিজ্ঞাও রেখেছো।
ও আমাকে একটা পয়সাও আর্থিক মাহার দেয়নি, এবং আমরাও দশ হাজার ডলারের গহনা কিনিনাই। ও আমাকে আকদ হিসেবে আল্লাহর কালাম দিয়েই আমাকে সন্তুষ্ট করেছে। আমি এখন চিন্তা করছি আমার মেয়েটি তার নিজের মাহার হিসেবে কোন সুরাটি কে পছন্দ করবে।
যখন আমার বাবা আমার মা কে প্রপোজ করেছিলেন তখন তিনি আম্মুর প্রতি মাহার হিসেবে সুরা আলে ইমরান উৎসর্গ করেছিলেন, সম্পূর্ণ সুরাটি তিনি হৃদয় ও মন দিয়ে মুখস্থ করেছিলেন।
যখন আমার বর আমাকে প্রপোজ করেছিলো, আমার বাবা তাঁকে বলেছিলেন যে মাহার হিসেবে তাঁকে কুরআন থেকে একটি সুরা মুখস্থ করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি আমার মাহার না পাবো ততক্ষণ বিয়ে হবে না।
আমাকে আমার মাহার হিসেবে একটি সুরা পছন্দ করতে বলা হল। আমি সুরা নুর পছন্দ করলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে এই সুরাটিতে যতসব আইন আছে তা আমার হয়ে যে কারো জন্য মুখস্থ করা কঠিন ছিল।
আমাদের বিয়ের আগে, যখন আমরা নতুন সংসার বাঁধার জন্যে প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত ছিলাম। তখনও পুরো মাস ধরে আমার বরের হাত থেকে পবিত্র কুরআন মুহূর্তের জন্যেও বিচ্ছিন্ন হয়নি, কারণ সারা মাস ধরে সে সুরাটি মুখস্থ করছিলো।
আমাদের বিয়ের কিছুদিন আগে, সুরাটি মুখস্থ করা শেষে আমার বর বাবাকে সুরাটি শুনাতে আসল। বাবা তাকে বললেন, "যতবার তুমি সুরাটি ভুল করবে ততবারই তুমি আবার শুরু থেকে শুনানো শুরু করবে"
আমার বর তার ধীর ও চমৎকার সুরে সুরাটি তিলাওয়াত করতে শুরু করলো। এত সুন্দর তিলাওয়াত যা আমি জীবনেও কোনদিন ভুলবো না। ও যখন তিলাওয়াত করছিল তখন আম্মু এবং আমি একজন আরেকজনের দিকে তাকাচ্ছিলাম আর মুচকি হাসছিলাম, আমরা অপেক্ষা করছিলাম কখন আমার বর সুরাটি শুনাতে ভুল করবে আর আমরা আবারো তাঁর তিলাওয়াত প্রথম থেকে শুনতে পেরে সাওয়াবের সংখ্যা বাড়িয়ে নিবো।
কিন্তু আমার বর (আল্লাহ তাঁকে বারাকাহ দান করুন) সুরাটিকে এমন ভাবে হৃদয়ঙ্গম করেছিলো যে একটা আয়াতও ও ভুল করেনি।
যখন সে পুরা সুরাটি শুনানো শেষ করলো তখন আব্বু তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন, "আজ তোমার কাছে আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দিলাম, তুমি তোমার মাহার পরিশোধ করেছো এবং তোমার প্রতিজ্ঞাও রেখেছো।
ও আমাকে একটা পয়সাও আর্থিক মাহার দেয়নি, এবং আমরাও দশ হাজার ডলারের গহনা কিনিনাই। ও আমাকে আকদ হিসেবে আল্লাহর কালাম দিয়েই আমাকে সন্তুষ্ট করেছে। আমি এখন চিন্তা করছি আমার মেয়েটি তার নিজের মাহার হিসেবে কোন সুরাটি কে পছন্দ করবে।
Thursday, June 13, 2013
কালেমা সমুহ
..................কালিমা সমূহ...................
১. কালিমায়ে তাইয়্যেবা :
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই, মুহাম্মাদ (স.) আল্লাহর রাসুল।
২. কালিমায়ে শাহাদাত :
‘আশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসুলূহু’
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তার কোন অংশীদার নেই।
আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (স.)
আল্লাহর প্রেরিত রাসুল।
৩. কালিমায়ে তাওহীদ :
‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা ওয়াহিদাল লা ছানিয়ালাকা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহি ইমামুল মুত্তাক্বীনা রাসুলু রাব্বিল আলামীন।
অর্থ : তুমি (আল্লাহ) ছাড়া অন্য কোন উপাস্য
নেই। তুমি এক, তোমার দ্বিতীয় কেহ নেই।
আল্লাহর রাসুল (সা.) আল্লাহভীরুদের নেতা ও
বিশ্বপ্রতিপালকের রাসূল।
৪. কালিমায়ে তামযীদ :
“লা ইলাহা ইল্লা আনতা নূ-রাই ইহায়দিয়াল্লাহু লিনূরিহী মাই-ইয়াশাউ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি
ইমামুল মুরসালীনা ওয়া খাতামান নাবিয়্যীন।”
অর্থ : তুমি (আল্লাহ) ছাড়া অন্য কোন উপাস্য
নেই। তুমি জ্যোতির্ময়, যাকে ইচ্ছা হয়
তাকেই তোমার নূর দ্বারা পথ প্রদর্শণ কর।
মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর রাসুল, রাসুলগণের
নেতা এবং নবীদের মধ্যে সর্বশেষ নবী।
৫. ঈমানে মুজমাল :
“আ-মানতু বিল্লাহি কামা হুয়া বিআসমায়িহি ওয়া সিফ জামিয়া’ আহকা-মিহি ওয়া আরকানিহী’
অর্থ : আমি আল্লাহ তায়ালার প্রতি তাঁর
সমুদয় নামের সহিত ও তাঁহার যাবতীয়
গুণাবলীর সহিত ঈমান আনলাম। আর তাঁর
যাবতীয় আদেশ ও বিধি-বিধান মেনে নিলাম।
৬. ঈমান মুফাছছাল :
“আ-মানতু বিল্লাহি ওয়ামালা-ইকাতিহী ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি ওয়াল ইয়াওমিল আ-খিরি ওয়াল ক্বাদরি খায়রিহী ওয়া শাররিহী মিনাল্লা-হি তায়ালা ওয়াল বা’ছি বা’দাল মাওত।”
অর্থ : আমি বিশ্বাস করলাম আল্লাহর উপর,
তাঁর ফিরিশতাগণের উপর, তাঁর আসমানী কিতাব সমূহের উপর, তাঁর রাসুলগণের
উপর, পরকালের উপর এবং তাকদীরের ভাল-
মন্দের উপর, যা আল্লাহ পাকের নিকট
হতে হয়ে থাকে এবং মৃত্যুর পর পূনরায় জীবিত
হওয়ার উপর।
১. কালিমায়ে তাইয়্যেবা :
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই, মুহাম্মাদ (স.) আল্লাহর রাসুল।
২. কালিমায়ে শাহাদাত :
‘আশহাদু আন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসুলূহু’
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তার কোন অংশীদার নেই।
আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (স.)
আল্লাহর প্রেরিত রাসুল।
৩. কালিমায়ে তাওহীদ :
‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা ওয়াহিদাল লা ছানিয়ালাকা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহি ইমামুল মুত্তাক্বীনা রাসুলু রাব্বিল আলামীন।
অর্থ : তুমি (আল্লাহ) ছাড়া অন্য কোন উপাস্য
নেই। তুমি এক, তোমার দ্বিতীয় কেহ নেই।
আল্লাহর রাসুল (সা.) আল্লাহভীরুদের নেতা ও
বিশ্বপ্রতিপালকের রাসূল।
৪. কালিমায়ে তামযীদ :
“লা ইলাহা ইল্লা আনতা নূ-রাই ইহায়দিয়াল্লাহু লিনূরিহী মাই-ইয়াশাউ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি
ইমামুল মুরসালীনা ওয়া খাতামান নাবিয়্যীন।”
অর্থ : তুমি (আল্লাহ) ছাড়া অন্য কোন উপাস্য
নেই। তুমি জ্যোতির্ময়, যাকে ইচ্ছা হয়
তাকেই তোমার নূর দ্বারা পথ প্রদর্শণ কর।
মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর রাসুল, রাসুলগণের
নেতা এবং নবীদের মধ্যে সর্বশেষ নবী।
৫. ঈমানে মুজমাল :
“আ-মানতু বিল্লাহি কামা হুয়া বিআসমায়িহি ওয়া সিফ জামিয়া’ আহকা-মিহি ওয়া আরকানিহী’
অর্থ : আমি আল্লাহ তায়ালার প্রতি তাঁর
সমুদয় নামের সহিত ও তাঁহার যাবতীয়
গুণাবলীর সহিত ঈমান আনলাম। আর তাঁর
যাবতীয় আদেশ ও বিধি-বিধান মেনে নিলাম।
৬. ঈমান মুফাছছাল :
“আ-মানতু বিল্লাহি ওয়ামালা-ইকাতিহী ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি ওয়াল ইয়াওমিল আ-খিরি ওয়াল ক্বাদরি খায়রিহী ওয়া শাররিহী মিনাল্লা-হি তায়ালা ওয়াল বা’ছি বা’দাল মাওত।”
অর্থ : আমি বিশ্বাস করলাম আল্লাহর উপর,
তাঁর ফিরিশতাগণের উপর, তাঁর আসমানী কিতাব সমূহের উপর, তাঁর রাসুলগণের
উপর, পরকালের উপর এবং তাকদীরের ভাল-
মন্দের উপর, যা আল্লাহ পাকের নিকট
হতে হয়ে থাকে এবং মৃত্যুর পর পূনরায় জীবিত
হওয়ার উপর।
ইসলাম
اِنَّ الدِّيْنَ عِنْدَ اللهِ اْلاِسْلاَمِ
অনুবাদঃ আল্লাহপাকের নিকট ইসলাম একমাত্র মনোনীত ধর্ম। ইহা কোরআনের শিক্ষা ওরাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম) এর আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলাম কথাটির একটি অর্থ আত্নসমর্পণ এবং ইহার আর একটি অর্থ শান্তি। এই দুইটি অর্থের মধ্যে পরম্পরের বেশ সংযোগ ও সামঞ্জস্য রহিয়াছে। ইসলামের বিস্তারিত অর্থের ভিতর দিয়া তাহা পরিস্ফুটিত হইয়া উঠিয়াছে। উহার বিস্তারিত অর্থ এই যে, আল্লাহপাক বিশ্ব মানবকে সরল পথে পরিচালিত করিবার জন্য তাঁহার প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) কে যে ধর্ম প্রচার করিতে পৃথিবীতে প্রেরণ করিয়াছেন তাহার নামই ইসলাম। ইসলামের বিধান সমূহ এতই সুন্দর ও যুক্তিপূর্ন যে, ইহার বিধিনির্দেশগুলি সুষ্ঠুরূপে পালন করিলে মানুষ্য জীবন সার্থক হয়। ন্যায়, পবিত্রতা এবং বন্দেগীর অনাবিল আনন্দে মন প্রাণ ভরিয়া উঠে, দুনিয়া সুখ ও শান্তির ভান্ডারে পরিণত হয়, পরকালে আল-াহপাকের শ্রেষ্ঠ নেয়ামত বেহেশতে প্রাপ্তি ঘটে।
ইসলাম ধর্মের ভিত্তি মোট পাঁচটি, যথাঃ
১) ঈমান (কালেমা) ২) নামায ৩) রোযা ৪) হজ্জ ৫) যাকাত।
ইসলাম ধর্মের ভিত্তি মোট পাঁচটি, যথাঃ
১) ঈমান (কালেমা) ২) নামায ৩) রোযা ৪) হজ্জ ৫) যাকাত।
Subscribe to:
Posts (Atom)